আজ ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

চেয়াম্যানের ক্ষমতার দাপটে

জনতার ডেস্ক: কর্মসৃজন প্রকল্পে লুটপাট, কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার ২নং সিদলা ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কর্মহীন মানুষের কাজের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সরকার ৪০ দিনের প্রকল্প চালু করলেও শ্রমিকের তালিকায় রয়েছে। অনেক বিত্তশালীর নাম অনেক জায়গায় আবার নির্ধারিত শ্রমিকের চেয়ে কম সংখ্যক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে ৪০ দিন কাজের বিনিময়ে প্রত্যেক শ্রমিক আট হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক পাওয়ার কথা । প্রকল্প সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ২০১৬ অর্থ বছরে স্থানীয়রা জানান বিভিন্ন দপতর ম্যানেজ করে ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কাঞ্চন প্রকল্পে সভাপতি ও সদস্যরা অর্থ আত্মসাত করতে খাতা কলমে শতভাগ শ্রমিক উপস্থিতি দেখিয়ে বাস্তবে কম শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। প্রকল্প সভাপতিরা জানান চেয়ারম্যানের নির্দেশমতে তারা কাজ করাচ্ছেন উক্ত এলাকার আফাজ উদ্দিন, মঞ্জুল মিয়া আবুল মেম্বার। সিদলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শামছু মিয়া বলেন আমরা তাদের ভয়ে সত্য কথা বলতে পারছি না।উক্ত চেয়ারম্যানের বিচার হওয়া উচিত। রাস্তায় কাজ না করে মানুষের বাড়িতে কাজ করিয়ে টাকা আদায় করেছেন এবং একটি পরিবার প্রতিবাদ করায় এলাকা ছাড়তে হয়েছে। জানা যায় উক্ত পরিবারটি এখনো এলাকায় আসতে পারছে না। তাদের বিরুদ্ধে পুটপাথ দখল থেকে শুরু করে নানান ধরনের চাঁদাবাজি জমি দখল বাড়ি দখল ও পুলিশের উপর আক্রমন প্রতিপক্ষের উপর আঘাত, সরকারি জায়গা দখল করে মাদক কিক্রিতে সহায়তা সন্ত্রাসী লালন পালন নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। জানি আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ বর্তমানে বিশ্ববাস্তবতা অনেক কঠিন এ যুগে চাটুকারিতা আর তোষামোদের মিডিয়া চলবে না। সত্যকে সত্য বলতে হবে। অন্যায় তুলে ধরতে হবে মিডিয়া কর্মীদের কাঠোর হতে হবে। পরিশ্রমের কথা ভাবতে হবে। মিডিয়া কর্মীদের শুধু হত্যাশা ব্যক্ত করলেই হবে না সমস্যাটা চিহ্নিত করতে হবে। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতেই মিডিয়ার প্রয়োজন। দায়িত্বশীল সাংবাদিক তার কোনো বিকল্প নেই। সমাজের অন্যায় অসংগতি মিডিয়া ছাড়া কে তুলে ধরবে। ২০১৬ সিদলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ভোক্তভুগী হাসনা আক্তার লিমা এখনো যেতে পারছে না তার নিজ বাড়িতে। অতচ জাতির পিতা তাঁর জীবন উৎসর্গ করে যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠ করেছেন তার নেপথ্যে লাখ লাখ মানুষের রক্ত ঝরেছে। বঙ্গবন্ধুর সংবিধানে জনগণকে ক্ষমতার মালিক করা হয়েছে। এখানে আইন সবার জন্য সমান কেউ আইনের উর্ধ্বে নন বঙ্গবন্ধুর কন্যার হাত ধরে তৃণমুল থেকে প্রশাসনের সার্বিক পর্যায় বিচার বিভাগ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষে নারীর ক্ষমতায়ন ঘটেছে এ অর্জনকে বা প্রশাসনের সুনামকে কেউ শেষ করে দিতে পারে না। নিষ্টুর শাসকের চরিত্রে হাসনা আক্তার লিমার পরিবারকে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে উক্ত পরিবারকে নিযাতন করা হয়।মানুষ বিপদের সময় পুলিশের কাছে সাহায্যের জন্য আসে মানবিক আচরণে মাধ্যমে মানুষের অব্যন্তরিন শান্তি শৃঙ্খলা জন নিরাপত্তা বিধান আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সন্ত্রাস ও অপরাদ দমন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখার, পাশাপাশি পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করার কথা।উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অপরাধের ধরন দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। এব্যাপারে হোসেনপুর থানা পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ও প্রশাসনের করণীয় কি সকল স্থরের রাজনীতিবীদ সুশীল সমাজে সুবিচারে ভোক্তভুগীর পরিবারটি যেন ফিরতে পারে তার নিজ বাড়িটি।হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন করে। জনগণের হৃদয় জয় করা অভিঙ্গ পোড় খাওয়া রাজনীতিবীদরা এমপি হতেন দাপুটে মন্ত্রী হতেন জনগণের কাছে জবাবদিহি করে। তারা যেমন পথ চলতেন সেসব জননেতার দাপটে অনেক মেধাবী জাঁদরেল সরকারি কর্মসর্তাও তাদের সীমানা লঙ্গন করতেন না একালে রাজনীতি রাজনীতিবিদদের হাত ছাড়া হওয়ার এমপি মন্ত্রী দুর্বল হওয়ার প্রশাসনের একদল কর্মকর্তা বিষধর সাপের মতো ফনাতুলে থাকে তাকে ছোবল দিচ্ছে।রাজনৈতিক ও জনগণের শক্তি আইন এবং সুবিচারের মাধ্যমে এই বিষয়ের মাথা ভেঙে দিতে হবে। নির্যাতিতের ন্যায় বিচার পাওয়া যেমন অধিকার তেমনি অপরাধীর শাস্তি ভোগ করাই একমাত্র পথ শুধু রাজনৈতিক শক্তিরই নয় প্রশাসনের ও ভাবমুক্তি ফিরিয়ে আনার চ্যালেজ এখন সামনে প্রশাসন ও রাজনীতিতে কোথাও অপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়ার সুযোগ নেই। সুযোগ দিলেই রাষ্ট্রশক্তি দুর্বল হবে। দেশ ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     More News Of This Category