আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

মাকে বেঁধে গ্রাম পুলিশকে ধর্ষণ করলো ইউপি সদস্য মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি. মাকে বেঁধে এক নারী গ্রাম পুলিশকে ধর্ষণ করলো বাক্কার মিয়া (৪৪) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার)। গ্রেপ্তার এরাতে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে সে। এদিকে মামলা তুলে নিতে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী (ধর্ষিতা)। ঘটনাটি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নের শ্যামপুরপাড়া গ্রামে ঘটেছে। বাক্কার মিয়া ওই ইউনিয়নের কাদির মিয়ার ছেলে এবং ৬ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য। মামলার বিবরণে ও এলাকাবাসির সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নের শ্যামপুরপাড়া গ্রামে গ্রাম পুলিশে কর্মরত এক নারী চাকরীর সুবাধে তার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছে। বাক্কার মিয়া ওই ইউনিয়নের একই গ্রামের ও ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। গত ৫ ফেব্ররুয়ারী রাতে বাক্কার মিয়া তার সহযোগি স্বপন মিয়াকে নিয়ো রাতে তাদের দরজা কৌশলে খোলে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরে থাকা গ্রাম পুলিশের বৃদ্ধ মাকে হাত-পা বেঁধে মার সামনে জোরপূর্বক তারা ধর্ষণ করে চলে যায়। পরে গ্রাম পুলিশের সদস্য বাজিতপুর থানায় মামলা করতে গেলে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা না নিয়ে আদালতে মামলা করতে পরর্মশ দেয়। পরে গত ১১ ফেবরুয়ারী ২০২০সনে কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ বাক্কার মিয়া ও তার সহযোগী স্বপন মিয়াকে আসামী করে (মামলা ১২৬/২০) দায়ের করে। পরে করোনা ভাইরাসের কারনে আদালত বন্ধ থাকায় মামলার বার্যক্রম স্থগিত থাকে। গত ২৬ আগষ্ট আদালতের বিচারক মো. সোলায়মান খান মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীদেও বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আদেশ দেন। এর পর থেকে আসামীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে মামলা তুলে নিতে প্রায়ই প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযো করেন মামলার বাদি। এদিকে পুলিশও আসামীদের গ্রেপ্তার না করায় বাদি ও তার পরিবার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুলতান মিয়া জানান, আসামীদের ধরতে পুলিশ সকল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করি স্বল্প সময়ে তারা গ্রেপ্তার হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     More News Of This Category